পর্দা না করার পিছনে একজন নারী চাইলে হাজারটা অজুহাত দেখাতে পারে।
যেমন:

⛔শরীরে অধিক কাপড় জড়ালে আমার গরম লাগে। গরমে আমার সমস্যা হয় !

⛔পর্দা করা না করা আমার ব্যাপার। পুরুষরা দৃষ্টি নিচু রাখলেই তো হয়। তাদের দেখতে বলছে কে?

⛔যেখানে পাঁচ বছরের শিশু ধর্ষিত হয়,সেখানে পর্দা আর নারীদের কতটুকু হেফাজত করতে পারবে!

⛔বোরকা পরে হাত মোজা,পা মোজা পরলে মানুষ আমাকে দেখে হাসাহাসি করে। তাই এগুলো পরতে আমার ভালো লাগে না!

⛔বোরকা পরলে আমার সহপাঠী কিংবা সহকর্মীরা আমাকে জঙ্গী বলে উপহাস করে। তাই বোরকা পরব না!

⛔ভালো খারাপ নিজের কাছে। আমি ভালো ত জগৎ ভালো। পর্দা না করলে যে ভালো থাকা যায় না তা না!

⛔বোরকার আড়ালে ও তো কত মেয়ে খারাপ কাজ করে । আমরা মুখশধারী শয়তান হতে চাই না!

আরো অনেক অজুহাত পর্দা না করার জন্য পেশ করা সম্ভব।
তবে বিশ্বাসী নারীদের পর্দা করার জন্য শুধুমাত্র একটা কারনই যথেষ্ট। আর তা হচ্ছে:-
-পর্দা করা আল্লাহর হুকুম। যা পালন করা ফরজ।
আল্লাহ তা-লা এরশাদ করেনঃ-

হে নবী আপনি আপনার স্ত্রী,কন্যা এবং বিশ্বাসী মুসলিম পুরুষদের স্ত্রীদেরকে বলুন তারা যেন নিজেদের গায়ে আবরন টেনে নেয়।এতে তারা সম্ভ্রান্ত হিসেবে পরিচিতি পাবে। এবং তাদের উত্যক্ত হওয়ার আশংকা কম থাকবে! [ সূরা আল-আজহাবঃ-৩৩]

তবুও যদি বলেন পর্দা করবো কেন? তাহলে বলবো বেপর্দায় ই থাকেন বোন। আর জাহান্নামের অগ্রীম টিকিট বুকিং করে রাখেন!!!

#অধমের লেখা কাউকে কষ্ট দেওয়ার জন্য নয় ✊
কষ্ট পেয়ে থাকলে মাফ করবেন।