সবাইকে জানাই রমজানের শুভেচ্ছা।  আশা করি সবাই ভালো আছেন !! -!! আমরা অনেকেই শখ করি যে আমিও ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করবো। সুন্দর সুন্দর কন্টেন্ট বানিয়ে মানুষকে অনেক কিছু জানাব এবং শিখাব। অনেকেই ঠিক এই উদ্দেশ্যেই ইউটিউবে আসে এবং তাদের ভিডিও আপলোডিং শুরু করে।  কিন্তু যারা প্রথম থেকে টাকা আয়ের জন্য ইউটিউবে কাজ করে তারা সফল হয় না। এর কারণ তাদের ভিডিও কোয়ালিটি বেশি একটা ভালো হয় না। এখন যারা মোবাইল দিয়ে ইউটিউবে কাজ করতে শুরু করে এবং সবসময় তাদের ভিডিও কোয়ালিটি নিয়ে চিন্তা করে।  তাই তাদের জন্য আজকের কন্টেন্ট – মোবাইল দিয়ে ইউটিউব ভিডিও তেরি করার জন্য যা প্রয়োজন।

 

স্মার্টফোনঃ ঠিক প্রথমেই যা প্রয়োজন তা হলো ভালো একটি স্মার্টফোন। আপনার স্মার্টফোনটির কোয়ালিটি ভালো হলে আপনার ভিডিও কোয়ালিটিও ভালো হবে। এজন্য আপনাকে অবশ্যই একটি মধ্যম বাজেটের মধ্যে স্মার্টফোন নিতে হবে। স্মার্টফোনটির স্ক্রিন মধ্যম সাইজের হলে সবচেয়ে ভালো হয়।

স্ক্রিন রেকর্ডারঃ এরপর আপনার প্রয়োজন হবে একটি ভালো স্ক্রিন রেকর্ডার এপ্লিকেশন। মোবাইল স্ক্রিনের সকল কাজ ভিডিওতে রুপান্তরিত করতে ব্যবহৃত হয় স্ক্রিন রেকর্ডার।  এন্ড্রয়েডের মধ্যে সবচেয়ে ভালো স্ক্রিন রেকর্ডার এপ্লিকেশনগুলো হচ্ছে– Az Screen Recorder,  Mobigen Screen Recorder এবং DU Screen Recorder.

মাইক্রোফোনঃ আপনার ভিডিওটিতে সাউন্ড কোয়ালিটি যত ভালো হবে আপনার ভিডিওতে মানুষ তত আকর্ষিত হবে। ভিডিওতে সাউন্ড কোয়ালিটি ভালো করার জন্য আপনাকে অবশ্যই একটি ভালো মানের মাইক্রোফোন ব্যবহার করতে হবে। অনেকেই মনে করেন যে মোবাইল দিয়েই যখন ভিডিও তৈরী করছি তখন কেন ভালো মাইক্রোফোন ব্যবহার করব? – এটা ঠিক নয়। কারন আপনার ভিডিওর সাউন্ড কোয়ালিটিও ভিডিও বেশিক্ষণ দেখা নির্ভর করে। তাই অবশ্যই মধ্যম বাজেটের মধ্যে একটি মাইক্রোফোন কিনতে হবে। আমি আপনাকে বলব আপনি Boya M1 মাইক্রোফোনটি ব্যবহার করুন।

কানেক্টর কেবলঃ মোবাইলে সাউন্ড রেকর্ডিং একদম অরিজিনাল এবং উচ্চশব্দের সাউন্ড পেতে আপনাকে অবশ্যই একটি কানেক্টর ব্যবহার করতে হবে। কারণ মাইক্রোফোন সাধারণত মোবাইলের জন্য তৈরি করা হয় না।  মোবাইলে  কানেক্টর দিয়ে পুরো রেকর্ডিং এক্সেস নিতে হয়। আপনি অনলাইন থেকে কানেক্টর ক্যাবল কিনতে পারেন। কানেক্টর মাত্র ২০০ টাকায় পাওয়া যায়।

ভিডিও এডিটরঃ ভিডিওটি ভালোভাবে সাজাতে এবং আরো আকর্ষণীয় করতে ভিডিও এডিটরের জুড়ি নেই।  ভালো মানের কন্টেন্ট তৈরী করতে হলে অবশ্যই আপনাকে ভিডিও এডিটর এপ্লিকেশন ব্যাবহার করতে হবে।  ভিডিও এডিটর দিয়ে ভিডিওতে অনেল অ্যাফেক্টস ,  ইন্ট্রো ভিডিও,  লেখা ইত্যাদি যোগ করা যায়। আমি বলব আপনি ভিডিও এডিটিংয়ের জন্য Videoshow Pro Editor বা Kinemaster, Power Director ব্যবহার করুন।

থাম্বনেইলের জন্য এপঃ ভিডিওতে ক্লিক করার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ভালো থাম্বনেইল দেওয়া। আপনি যত ভালো থাম্বনেইল ব্যবহার করবেন আপনার ভিডিওতে তত বেশি ক্লিক হবে। থাম্বনেইল তৈরি করার জন্য এন্ড্রয়েডের সবচেয়ে জনপ্রিয় এপ্লিকেশন হচ্ছে – Pixelab Editor.

ভিডিও ড্যাশবোর্ডঃ ভিডিও তৈরী করে আপলোড দেওয়ার পর ভিডিওটির একটি সুন্দর টাইটেল যোগ করা,  ডিটেইলস যোগ করা,  থাম্বনেইল যোগ করার জন্য Youtube Dashboard সবচেয়ে ভালো একটি এপ্লিকেশন।  তাই আপনাকে এই এপ্লিকেশনটিও সাথে ইনস্টল করে রাখতে হবে।

আমার ইউটিউব চ্যানেলঃ  Technical Nazmul.  

❕আশা করি পোস্টটি সবার ভালো লেগেছে। পোস্টটি পড়ার পর নিশ্চয়ই মোবাইল দিয়ে ইউটিউবিং করার ধারণা হয়ে গেছে। আরও কোনো তথ্য জানতে চাইলে অবশ্যই কমেন্ট করুন। আমাদের সাথেই  থাকবেন – ধন্যবাদ।