লক্ষ্মীপুরে এক পরিবারের কাছে জিম্মী হয়ে পড়েছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ।

সদর উপজেলার রামানন্দী গ্রামের মোহন বাড়ির রাস্তা থেকে মাটি কেটে গর্ত তৈরি করে রেখেছে করেন বেল্লাল খাঁ ও তার পরিবার। এতে করে ওই রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী হাজারো মানুষ বের হতে পারছে না। ভুক্তভোগীরা বেল্লাল খাঁকে অভিযুক্ত করে গত ৩ জুলাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে সরেজমিনে তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন মুশু পাটোয়ারী গত ২৫ জুলাই পরিদর্শন করে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেন।

তদন্ত রিপোর্ট সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকে সদর উপজেলার রামানন্দী গ্রামের মৃত. আবদুল হাসিমের ছেলে নুরুল ইসলাম, মৃত. মজিবুল হকের ছেলে আবুল কালামসহ প্রায় হাজারো মানুষ বিরোধকৃত রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে। কিন্তু অভিযুক্তরা প্রভাব খাটিয়ে চলাচলের রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়। এতে করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা ক্ষতিগস্ত হচ্ছে।

ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকেই বিরোধকৃত রাস্তা দিয়ে চলাচল করছেন তারা। কখনো কোন সমস্যা হয়নি। এই রাস্তায় স্থানীয় ইউপি সদস্যরা বহুবার সরকারিভাবে মাটি কেটে সংস্কার করেছেন। হঠাৎ করে কয়েকদিন আগে রামানন্দী এলাকার মৃত. তছলিম খাঁ’র ছেলে মো. বেল্লাল খাঁ ও তাঁর মেয়ে নুর জাহান, মৃত. আলী আজ্জম খাঁ’র ছেলে সফিক খাঁ ও ওসমান খাঁ রাস্তাটি থেকে মাটি কেটে গর্ত তৈরি করে। পাশাপাশি খুঁটি দিয়ে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। বিষয়টির প্রতিবাদ করলে মারধর করার হুমকি দেয় তারা। তাই স্থানীয়রা ভয়ে কিছু বলছেনা। তাইতো বিরোধকৃত রাস্তাটি সচলের জন্য আইনের আশ্রয় গ্রহন করেছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুর রেদোয়ান আরমান শাকিল বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে তদন্ত করার জন্য বলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন সাপেক্ষে রাস্তাটি চলাচলের জন্য সচল করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।