গেম খেলে কেবলই সময় নষ্ট করা, এই ধারণাকে এখন চ্যালেঞ্জ করে সামরিক বাহিনীতে গেমারদের নেয়া হচ্ছে, এমনটাই জানিয়েছে গেম একাডেমি।

এ বিষয়ে ব্রিটেনের বিমান বাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেন, ’তথ্য সংগ্রহ করা, দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া এবং শান্ত থেকে সমন্বিতভাবে কাজ করা- এগুলো কিন্তু যারা ভালো গেম খেলে, তাদের বৈশিষ্ট্য।’

‘আমরা বিমান বাহিনীতে যে ধরণের লোক খুঁজি, তাদের বেলাতেও এই দক্ষতাই দেখা হয়। কাজেই গেমিং এর মাধ্যমে অর্জিত দক্ষতা কোনো কোনো ক্ষেত্রে খুবই কাজে লাগবে।

বিবিসি জানিয়েছে, তথ্য প্রযুক্তি খাতে কাজ করে এমন মানুষদেরই বেশি পছন্দ পোর্টালের মতো পাজল গেম বা ডিফেন্স গ্রিডের মতো টাওয়ার ডিফেন্স গেম। সিভিলাইজেশন, টোটাল ওয়ার বা এক্স কম, গেম যারা বেশি খেলেন, তারা সম্পদ ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়গুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ ম্যানেজারের মতো পদের জন্যই তারা বেশি উপযুক্ত।

গেম একাডেমির আইডিয়াটা খুবই সহজ। যারা গেম খেলছেন, তাদের অনলাইন প্রোফাইল বিশ্লেষণ করলেই জানা যাবে তাদের কার দক্ষতা কিসে। এরপর তাদের সে বিষয়ে আরও প্রশিক্ষণ দিয়ে এসব দক্ষতা আরও বাড়ানো যাবে।

ম্যাথিউস রিকি এদের একজন। তিনি তো দাবি করছেন, কেউ যদি অনলাইনে ইভ (EVE) গেম খেলতে পারে, তার মানে ইতোমধ্যে সে আসলে এমবিএ’র সমতুল্য ডিগ্রি অর্জন করে ফেলেছে।

মিস্টার রিকি অনলাইনে এমন এক গেম খেলতেন, যেখানে শত শত গেমারের নেতৃত্ব দিতেন। একসময় তিনি উপলব্ধি করলেন, এই দক্ষতাকে তিনি ব্যবসার কাজে লাগাতে পারেন।সোর্স: বিবিসি